ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভাইকে মন্ত্রিত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্তে ভোলা জেলার সাধারণ মানুষ গভীরভাবে হতাশ ও মর্মাহত। আমি মোঃ আশিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র সমাজ — দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এ সিদ্ধান্ত ভোলা জেলার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।
ভোলা দীর্ঘদিন ধরেই অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, যোগাযোগ সংকট ও বিনিয়োগ ঘাটতির কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। ভোলার মানুষের প্রাণের দাবি ভোলা সেতু (ভোলার ব্রিজ) বাস্তবায়ন আজ সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এই সেতু কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি ভোলাবাসীর অর্থনৈতিক মুক্তি, শিক্ষা বিস্তার, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্তের প্রতীক।
ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভাই সবসময় ভোলার মানুষের অধিকার ও উন্নয়ন প্রশ্নে সোচ্চার থেকেছেন। জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি ভোলার দাবি দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ভোলার উন্নয়ন ইস্যুগুলো জাতীয় আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে মন্ত্রিসভায় স্থান না দেওয়ায় ভোলাবাসীর মধ্যে উন্নয়ন ধারাবাহিকতা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভোলার উন্নয়ন কোনো রাজনৈতিক সুবিধা বা অসুবিধার বিষয় নয় — এটি ভোলার লক্ষ লক্ষ মানুষের ন্যায্য অধিকার। ভোলা সেতুসহ চলমান ও প্রস্তাবিত সকল উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে জেলার অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
সরকার ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানাই — ভোলাবাসীর ন্যায্য দাবি ও উন্নয়ন প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হোক। উন্নয়ন যেন কোনোভাবে থমকে না যায়। ভোলা এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে — এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা ভোলার সার্বিক অগ্রগতির পক্ষে সোচ্চার থাকবো।
আশিক অভি,
সিনিয়র সহ-সভাপতি, ঢাকা মহানগর পশ্চিম।
বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র সমাজ








